বনভোজন

আদনানুর রশিদ

 

পাতাইয়া তাই রাত্রির চেয়ে বৃহৎ, তুমি কিছু দূরে শ্যামবর্ণা

রজকিনী । তোমার বান্ধবী বৃহন্নলা, ছোঁ মারে শুধু মীনচক্ষু

দুরন্ত বুকে ; আমার জোগাড় আছে পুঁথির আর তোমাদের

জঙ্ঘার । ক্ষয়িত আমি তাই কিছু বিধ্বস্ত প্রাক্তন সন্ধ্যায় !

 

সহজ পর্যটনে এতো নগন্য ক্ষতি সামাজিক । আমি যখন 

কবিতার টেবিলে বিকিয়ে দেবো মুখোশ, তোমার গুল্মময়

জামা ঘরে ফিরে হবে সেই আলমারিবাসী সৌখিন গর্ব ।

নতুবা তুমি কী করে জানবে জড়বস্তুর অমরত্ব আমি বহু

দিয়ে গেছি কবিতায় । নারিকেলবাগান নিরীহ, আততায়ীর

মতন ! কুটিরে সঙ্গিণীরা সুঠাম, যেহেতু বলে বেড়ায় তাদের

ভীতির কথা সহাস্যে । এমন উথালস্রোত আর কোথায় ছিল ?

           যা বাঁচিয়ে রেখেছে তাঁরা, নোনাজলে শৈবালবিদ্যায় !

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *