রক্তকরবী ভ্রূণ

দেবযানী বসু

আদরের কুকুর জটাধারী। মৃত্যুর কাছে ধার এক কৌটো চাল। শোধের সঙ্গে প্রতিশোধও। পাওয়ার গ্ৰিডের আড়ালে জন্মশহর। অতি বিচারে ভাসা বয়া নদীর। পূর্বরাগে পোকা ধরা চশমা। ঝিল্লিখিল্লি গান আমরাও গাই। লোরকার আঁখিলোর জামদানি দীঘল ফ্রকে। ছিঁড়ে খাই মানুষজন্মের রেসিপি। পিঠে বুকে ওগো প্রেম ওগো প্রেমায়ন।

উত্তর ফাঁস হলে

খন্ডিতা তাসের বিবি। সীমান্তের সরলতা মুখে। উঁকি পড়ছে জোছনার। কোনো খরিশের অপেক্ষায়। অন্বেষণ যত দূরে যায় সেই দূরত্বে হাত রাখলাম। নবান্ন মুখে মাখে ফেয়ার এন্ড লাভলি জননী। এ পথে অজ্ঞান হওয়া নিষেধ।

কলমের তেল

প্রাতে স্মরণীয় বমি এসে পড়ে। ভাতের ফ‍্যানসাদা একরাশ বোকামি পেট থেকে উঠে আসে।তেল পড়ে পড়ে মাথা বিখ্যাত। সেখানেই স্বাক্ষর রাখি। পাখির ডানা অলরাউন্ডার হয়। জার্সির পাখিচিহ্ন ধরে পথ অচেনা। আমি কপালকুণ্ডলা হৈতে….

হাজার প্রেমিক বর চাই

অন্ধকার গেঁজিয়ে তুলছে শারীরিক ফাটল। কথা রাখি রাখা আপেল শরীরে। আপেল ব্লগ। চোখের অন‍্যদেশ রক্তাক্ত। রক্তাক্ত ঠোঁট দাঁত জিভের চোকোলেট। গ্ৰহণ বুঝে চাঁদ ফাটায় নিজেকে লাল আর কালোতে। সরলরেখার বহু স্পর্শসুর  জন্মালো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *